1. samiulislam312@gmail.com : প্রতিদিন সংবাদ : প্রতিদিন সংবাদ
  2. info@www.dailyprotidinsangbad.online : প্রতিদিন সংবাদ :
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে দৃষ্টিনন্দন মন্দির কমপ্লেক্স: স্বপ্ন, সেবা ও সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত! ভারত থেকে আজই আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল! শাজাহানপুর থানার সাবেক ওসি আলমগীর কারাগারে! শাজাহানপুরে যুবদল নেতা ফোরকানের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল! সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিলনের পুত্র মুনতাসীর রহমানের প্রথম জন্মদিন আজ! জামালপুর জেলার পুলিশ সুপার পদে  নিয়োগ পেলেন শাজাহানপুরের কৃতি সন্তান ফারহানা ইয়াসমিন! শাজাহানপুরে কলেজ ছাএীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার!  রাজধানীতে  রুমমেটকে ৭ টুকরা করে হত্যা, পুলিশের লোমহর্ষক বর্ণনা! মহাস্থান গড়ের শীলাদেবীর ঘাটে ঝুলন্ত সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এলজি আরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম! টঙ্গীতে ভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনায় ৩ জন গ্রেপ্তার, যুবদল সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার!

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে দৃষ্টিনন্দন মন্দির কমপ্লেক্স: স্বপ্ন, সেবা ও সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত!

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

 

 মিজানুর রহমান,  গাইবান্ধা প্রতিনিধি :

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রপুর বৃন্দাবন পাড়ায় গড়ে উঠেছে ব্যতিক্রমধর্মী এক মন্দির কমপ্লেক্স— শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির। এটি শুধু একটি উপাসনালয় নয়; বরং আধ্যাত্মিকতা, মানবসেবা ও সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনস্থল হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছেন হরিদাস বাবু, যার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, শ্রম ও আত্মত্যাগের ফলেই এই বিশাল কমপ্লেক্স আজ বাস্তবে রূপ পেয়েছে। বহু মানুষের সহযোগিতা ও ভালোবাসায় ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে এই ব্যতিক্রমী প্রতিষ্ঠান।

মন্দির প্রাঙ্গণে ধর্মীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। শিশুদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার জন্য রয়েছে গুরুকুল বা গীতা শিক্ষা স্কুল। অসহায় মানুষ ও শিশুদের আশ্রয়ের জন্য রয়েছে বৃদ্ধাশ্রম ও অনাথ আশ্রম।

জ্ঞানচর্চার জন্য স্থাপন করা হয়েছে একটি ধর্মীয় লাইব্রেরি। এছাড়াও ভবিষ্যতে স্থানীয় মানুষের চিকিৎসাসেবার জন্য মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্দিরের ভেতরেই তৈরি করা হয়েছে একটি ছোট সাজানো গ্রাম, যার নাম দেওয়া হয়েছে কৃষ্ণনগর। কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে চালু করা হয়েছে মোম, সিঁদুর ও আগরবাতি তৈরির কারখানা।

দূর-দূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের থাকার জন্য রয়েছে ভক্তিনিবাস, যেখানে প্রায় ৪০টি সুসজ্জিত কক্ষ রয়েছে। দর্শনার্থীদের খাবারের জন্য চালু রয়েছে জগন্নাথ ভোজনালয় ও মা লক্ষ্মী ভান্ডার, যেখানে প্রসাদ গ্রহণের সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা রয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, এই মন্দির কমপ্লেক্স শুধু ধর্মীয় স্থাপনা নয়, এটি মানবতা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল প্রতীক। প্রতিদিনই এখানে ভিড় করছেন বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত দর্শনার্থী ও ভক্তরা।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট